Download WordPress Themes, Happy Birthday Wishes
Home / Featured / কিভাবে বাংলাদেশ থেকে কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসা পাবেন

কিভাবে বাংলাদেশ থেকে কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসা পাবেন

Share This:

কানাডার শিক্ষা ব্যবস্থা, অন্যান্য দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে অনেকটা আলাদা। কানাডার একেক প্রদেশে একেক রকম শিক্ষায় ব্যবস্থাও লক্ষ্য করা যায়। তবে পরিবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থাতেও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য এখানে শিক্ষা গ্রহণের সুব্যবস্থা রয়েছে। প্রত্যেক বছর প্রায় ১০ মিলিয়নের বেশি শিক্ষার্থী কানাডায় শিক্ষাগ্রহণ করতে যান

"study in canada from Bangladesh"

কানাডায় কেন পড়াশোনা করবেন?

  • আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য কানাডায় শিক্ষা গ্রহণ করাটা স্বপ্নের মতো।
  • কানাডায় পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম ও ফুলটাইম চাকরির ব্যবস্থা রয়েছে।
  • কানাডায় প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্র্যাজুয়েটদের বিভিন্ন কোর্সের উপর গবেষণা করার সুযোগ রয়েছে।
  • কানাডা ভ্রমণের জন্য পৃথিবীর সেরা দেশগুলোর মধ্যে একটি।
  • আবহাওয়া, প্রকৃতি ও সংস্কৃতি হচ্ছে কানাডার সবচেয়ে অসাধারণ আকর্ষণ।
  • কানাডায় বহুভাষী মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি, যা সহজেই আপনাকে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে।
  • কানাডা পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ দেশগুলোর মধ্যে একটি।

কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসা নামে কোনো ভিসা দেয়া হয় না। মূলত, স্টাডি পারমিট দেয়া হয়, যেটাকে স্টুডেন্ট ভিসা বলা হয়। এই স্টাডি পারমিট দিয়ে আপনি কানাডায় বসবাস করতে পারবেন না। কানাডায় ভ্রমণ ও বসবাসের জন্য আপনাকে টেম্পোরারি রেসিডেন্ট ভিসা অথবা ইলেকট্রনিক ট্র্যাভেল অথোরাইজেশন (ইটিএ) নামক ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

স্টাডি পারমিট মূলত আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোর্সের মেয়াদের উপর নির্ভর করে। অর্থাৎ কোর্সের মেয়াদ যদি ৪ বছর হয় তাহলে আপনার স্টাডি পারমিটের মেয়াদও চার বছর হবে। সাথে অতিরিক্ত ৯০ দিন দেয়া হবে, যাতে আপনি ধীরেসুস্থে কানাডা ত্যাগ করতে পারেন।

আপনার স্টাডি প্রোগ্রাম যদি ৬ মাস কিংবা তারচেয়ে কম সময়ের হয়, তাহলে আপনাকে কোন ধরনের স্টাডি পারমিট নিতে হবে না। যদি আপনার পরিবারের কেউ কানাডা থেকে থাকেন, তাহলেও আপনাকে স্টাডি পারমিট নিতে হবে না। একইভাবে আপনার কিংবা আপনার পরিবারের কারো যদি রেজিস্টার্ড ইন্ডিয়ান স্ট্যাটাস থেকে থাকে, তাহলেও আপনাকে স্টাডি পারমিট নিতে হবে না।

কানাডায় ভিসার আবেদন করার পূর্বে আপনাকে যেসব ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে,

  • কানাডার যেকোনো ডিএলআইর (ডেজিগনেটেড লার্নিং ইন্সটিটিউশন)  কোর্স অথবা শিক্ষা প্রোগ্রামে ভর্তির প্রমাণপত্র থাকতে হবে।
  • একটি বৈধ পাসপোর্ট থাকতে হবে।
  • বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের প্রমাণপত্র থাকতে হবে।
  • টিউশন ফি, বসবাসের খরচ ও কানাডা ত্যাগ করার মতো পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ ব্যাংক ব্যালেন্সে দেখাতে হবে।
  • বাংলাদেশ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
  •  স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রমাণপত্র থাকতে হবে।
  • ইমিগ্রেশন অফিসারের সাথে কথা বলে বোঝাতে হবে যে, আপনি কোর্স শেষ করার পর পরই কানাডা ত্যাগ করবেন।

কীভাবে কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করবেন?

কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করার কোনো নির্দিষ্ট পদ্ধতি নেই। স্টাডি পারমিটের আবেদন করার পাশাপাশি টেম্পোরারি রেসিডেন্ট ভিসা অথবা ইলেকট্রনিক ট্র্যাভেল অথোরাইজেশন ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়। আপনি যদি চীন, ভারত, ফিলিপাইন ও ভিয়েতনামের অধিবাসী হয়ে থাকেন বা আপনার কাছে এসব দেশের পাসপোর্ট থাকে, তাহলে স্টাডি পারমিট দ্রুত পাওয়া যায়।

আপনার নিকটস্থ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার থেকে এ সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান পাবেন। অথবা আপনি চাইলে নিজেই নিজেই স্টাডি পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে অনলাইন বা অফলাইন, দুভাবেই আবেদন করা যায়।

অনলাইনে স্টাডি পারমিটের জন্য আবেদন করলে কোন ধরনের কুরিয়ার ফি অথবা মেইল ডেলিভারি ফি রাখা হয় না। কোনো ধরনের প্রসেসিং সংক্রান্ত সমস্যার সৃষ্টি হয় না। এ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন কানাডিয়ান হেল্প সেন্টার থেকে। অতিরিক্ত তথ্য বা ডকুমেন্ট অনলাইনে সাবমিট করতে পারবেন। যে একাউন্ট খুলে স্টাডি পারমিটের জন্য আবেদন করবেন, সেখানেই আপনার সকল তথ্যাবলি দেখতে পাবেন।

অফলাইনে স্টাডি পারমিটের জন্য আবেদন করতে হলে প্রথমে এখান থেকে অ্যাপ্লিকেশন প্যাকেজ ডাউনলোড করতে হবে। অতিরিক্ত যেসব ডকুমেন্টের প্রয়োজন হবে, সেগুলো যোগ করে দিতে হবে। স্টাডি পারমিটের আবেদন ফর্ম সঠিক ও নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে।  তারপর স্টাডি পারমিটের জন্য কানাডিয়ান ডলারে কনভার্ট করে ১৫০ কানাডিয়ান ডলার বা ৮৬১০ টাকা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পাঠাবেন।

স্টাডি পারমিটের আবেদন পূরণ করার পর নিকটস্থ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার থেকে বায়োমেট্রিক ইনফরমেশন অর্থাৎ ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ছবি তুলে পাঠাতে হবে। এজন্য ১৪০০০ থেকে ১৭০০০ টাকার মতো খরচ হতে পারে।

স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করার পর কী করবেন?

স্টাডি পারমিটের আবেদন করার ৩০ দিনের মধ্যে আপনাকে চিঠি অথবা মেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে যে, আপনার জন্য বায়োমেট্রিক ইনফরমেশনের দরকার পড়বে কিনা। যদি দরকার পড়ে, তবে উপরে বর্ণিত নির্দেশনার মাধ্যমে বায়োমট্রিক ইনফরমেশন পাঠিয়ে দেবেন।

তারপর আপনার আবেদন ফর্ম যাচাইবাছাই করে দেখা হবে। যদি অসম্পূর্ণ তথ্য কিংবা কোন অতিরিক্ত ডকুমেন্টে সমস্যা থাকে, তবে তারা আপনাকে তা জানিয়ে দেবেন। বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে ইমিগ্রেশন অফিস থেকে আপনাকে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাকা হতে পারে কিংবা আরো কিছু তথ্য পাঠানোর জন্য বলা হতে পারে।

যদি তারা আপনার আবেদন ফর্ম গ্রহণ করেন, তবে তারা আপনাকে একটি কনফার্মেশন লেটার পাঠাবেন। এই কনফার্মেশন লেটার কানাডা পৌঁছানোর পর ইমিগ্রেশন অফিসে দেখাতে হবে। এই কনফার্মেশন লেটারের সাথে আপনার ভিসার কাগজপত্র পাঠিয়ে দেয়া হবে। আর যদি তারা আপনার আবেদন ফর্ম গ্রহণ না করেন, তবে তারা আপনাকে এর কারণ জানিয়ে মেইল পাঠাবেন।

ভিসার আবেদন করার জন্য কী কী সাপোর্টিং ডকুমেন্টের দরকার পড়বে?

ভিসা বা স্টাডি পারমিটের আবেদন করার জন্যে যেসকল সাপোর্টিং ডকুমেন্টের দরকার পড়বে সেগুলো হচ্ছে,

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রহীতার চিঠি
  • ব্যাংক ব্যালেন্সের প্রমাণপত্র
  • স্বাস্থ্য বীমা
  • অপরাধমূলক ও ফৌজদারী কাজের প্রমাণপত্র
  • ভিসার আবেদন ফর্ম
  • চারটি পাসপোর্ট আকারের ছবি
  • বৈধ পাসপোর্ট
  • ভিসা এনরোলমেন্টের ইলেকট্রনিক কনফার্মেশনের স্ক্যান কপি
  • অ্যাকাডেমিক ও কাজের অভিজ্ঞতার ডকুমেন্ট
  • ভ্রমণ সম্পর্কিত কাগজপত্র

Featured Image: trippaddystudy.com

2,144 total views, 18 views today

Share This:

Submit Your Comments

x

Check Also

"Fellowship in USA"

নিউজিল্যান্ডে বিনা খরচে পড়াশোনা, প্রতি সপ্তাহে ২৭ হাজার টাকা

বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ নিয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিচ্ছে নিউজিল্যান্ড সরকার। বিনা খরচে পড়াশোনার ...